• 40

‘রান্না-খাওয়ানোর ভালবাসা থেকেই 'শেফ’

‘রান্না-খাওয়ানোর ভালবাসা থেকেই 'শেফ’

নিউইয়র্কের জনপ্রিয় কমিউনিটি নিউজ নেটওয়ার্ক এফএম-৭৮৬ ‘র সাপ্তাহিক বিশেষ আয়োজন খলিল বিরিয়ানি প্রেজেন্টস ‘হালাল ফুড রেসিপি’-তে অতিথি হয়ে এসেছিলেন স্বনামধন্য শেফ ও টিকেসিআই হোটেল ম্যানেজমেন্টের সিইও টনি খান। সাথে ছিলেন আরজে মোহনা।


আরজে মোহনা: একজন শেফ হিসেবে খেতে ভালোবাসেন নাকি খাওয়াতে?

টনি খান: এটা যদিও বলা কঠিন, তবুও বলছি। আসলে খেতে ভালোবাসি বলেই খাওয়াতেও ভালোবাসি। নিজে খাবারের টেস্ট বুঝে তবেই তো অন্যকে সেটা খাওয়াই। তাই বলবো খেতে এবং খাওয়াতে দুটোই ভালোবাসি। 


আরজে মোহনা: ছোট বেলা থেকেই কি ইচ্ছা ছিলো শেফ হওয়ার?

টনি খান: ছোট বেলা থেকে ইচ্ছা ছিলো বিষয়টা তেমন নয়। বড় হয়ে কি হবো সেটা তখনো সিদ্ধান্ত নেইনি। যখন আমি দেশ ছাড়ি তখন সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। তাছাড়া আমাদের ইয়াং বয়সে দেশে এই বিষয়গুলোতে এতো স্কিলড পড়ালেখাও ছিলো না। তাই কি হবো সেটা জানতাম না। একটা জিনিসই জানতাম নতুন কিছু করবো, নিজের পায়ে দাঁড়াবো।


রান্নার হাতেখড়ির সেই সময়ের গল্পটা কেমন ছিলো?

এটা আসলে অনেক গল্প। আমি ১৭ বছর বয়সে দেশ ছেড়ে সিঙ্গাপুর চলে গিয়েছিলাম। আমাকে যখন জিজ্ঞেস করা হলো আমি কি কাজ পারি। এমনিতেই বয়স কম ছিলো তাছাড়া তেমন কোনো কাজও পারতাম না। আমি অনেক লাকি ছিলাম যে আমার অ্যাপয়েনমেন্ট হয়েছিলো শাংগিলা হোটেলে। এটা আমার জন্য প্লাস পয়েন্ট ছিলো। সেখানে তো বেশিরভাগ মানুষই বাইরে খায়। সেই কিচেনে কাজ করার সুযোগ হলো ১৮০ জনের সাথে। একটু একটু করে শিখলাম। এভাবেই হাতেখড়ি হলো। সেই থেকে খাওয়ার প্রতি ভালোবাসা, রান্নার প্রতি প্রেম আর মানুষকে খাওয়ানোর প্রতি আবেগ। এভাবেই তো চলে যাচ্ছে।


বর্তমানে রান্না নিয়ে কি কাজ করছেন?

আমাকে যখন কিছু মানুষ চিনতে শুরু করলো একজন শেফ হিসেবে। তখন থেকেই ভেবেছিলাম এই সেক্টরে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে। আমি নিজের দেশ থেকে দূরে থাকলেও দেশের মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। চাই যে, আমাদের দেশের ছেলে-মেয়েরাও এই পেশায় নাম করুক। এখন আমরা আন্তর্জাতিকভাবে হালাল কুইজিন’র ব্যবস্থা করতে পেরেছি বাংলাদেশে। টিকেসিআই হোটেল ম্যানেজমেন্ট নিজেদের চেষ্টায় অনেকগুলো মানুষকে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এটা মূলত একটি টার্কিশ কুইজিন।

আপনার মতামত লিখুন :