• 36

থটস অব রামাদান-১৯

সমাজ সংস্কারে উলামার ভূমিকা

সমাজ সংস্কারে উলামার ভূমিকা

থটস অব রামাদান-১৯ তম পর্ব

উলামা ‘ সমাজের আয়না ও সমাজ পরিবর্তনের আদর্শিক ব্যক্তিত্ব’। ‘আল উলামাও ওয়ারেসুল আম্বিয়া’ রাসুলের বাণী নিঃসৃত এ কথাটির সাথে প্রাচ্য ও প্রতীচ্যসহ সকলেই কম বেশি পরিচিত। আমরা যদি এর সহজ অর্থ করি তাহলে বলতে পারি উলামাগণ রাসুলের প্রকৃত প্রতিনিধি। তাদের চলন-বলন, কাজ-কর্মসহ সকল কিছুতে রাসূলের সুন্নাহের প্রতিচ্ছবি পাওয়া যাবে। বিচ্ছিন্ন দুই-একটি ঘটনা ব্যতীত উলামা‘ রাসুলের অর্পিত দায়িত্ব কমবেশি পালন করে যাচ্ছেন। রাসুল (স. ) -এর অনুসারী সাহাবীগণ বর্তমান সিস্টেমের কামিল মাদ্রাসা বা দেওবন্দী হিসেবে দাওরায়ে হাদীস পাশ করেনি, কিন্তু কোরআন ও হাদিসের আঁকর হিসেবে তারা বিবেচিত। 


সত্যিকারের আলেম হিসেবে তারা আমাদের কাছে অনুকরণীয়। আলেম হওয়ার জন্য কোরআন-হাদিসের প্রকৃত জ্ঞান এবং সঠিক মৌলিক ধারার শিক্ষকের কাছে সরাসরি দীক্ষা নেওয়া শর্ত। মৌলিক জ্ঞান ও আদর্শের অনুসারী একজন আলেম একটি সমাজের জন্য আলোকবর্তিকা। তিনি কোরআনের আলোকে , হাদিসের আলোকে সমাজ থেকে সকল অপসংস্কৃতি বিরুদ্ধে নৈতিকতার দেয়াল গড়ে তোলেন। বর্তমানে যুবসমাজ তথ্য ও প্রযুক্তির উৎকর্ষতাকে অবলম্বন করে যেভাবে অপসংস্কৃতি , মাদক , অশ্লীলতা ও নারীর শ্লীলতাহানীর কাজে জড়িয়ে পড়ছে এ থেকে বাঁচার জন্য আলেমদেরকে মসজিদভিত্তিক সংস্কার কার্যক্রম শুরু করতে হবে।


সমাজকে সঠিক ভাবে প্রভাবিত করার জন্যে, নৈতিক মানদন্ডের ট্রেনিং প্রদানের জন্য আলেমদের সাথে রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি এমনকি সরকারের আমলাদেরও সুন্দর ও সাবলীল সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছানোর জন্য আলেম সমাজকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে। এ কাজ হবে নৈতিকতা, মুক্তি, পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে। থটস অব রমাদান ১৯তম পর্বে সমাজ সংস্কারে আলেমদের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনায় কথাগুলো বলছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল হাদিস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর ড. ময়নুল হক ও আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রামের দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আমিনুল হক।

আপনার মতামত লিখুন :