• 165

আজ থ্যাংকস গিভিং ডে

আজ থ্যাংকস গিভিং ডে

আজ থ্যাংকস গিভিং ডে

সকাল থেকেই ব্রঙ্কসের খলিলে টার্কি প্রেমিকদের ভীড়


পৃথিবীর প্রতিটি সমাজ, সম্প্রদায় ও সংস্কৃতিতে ফসল উৎপাদনের আনন্দে নিজ নিজ ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী তাদের সৃষ্টিকর্তা, ইশ্বর বা দেবতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর যে রীতি পালন করে থাকে যুক্তরাষ্ট্রেও অনুরূপ রীতি পালন শুরু হয় প্রায় চারশ বছর আগে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম দিকে আগত অভিবাসীরা ম্যাসাচুচেটস এলাকায় এ উৎসবের সুচনা করেছিলেন বলে জানা যায়। এখন এর দিবসটি জাতীয় ছুটি এবং ঘটা করে পালন করা হচ্ছে। অভিবাসী বাংলাদেশীরাও এখন পরিবারে টার্কি রোস্ট সহ ভিন্ন ধাঁচের খাবার আয়োজন করে থ্যাঙ্কস গিভিং ডে-তে।

করোনার ডামাডোলে দিবসটি তেমন জাঁক জমকভাবে উদযাপন করা হবেনা বলে ধারনা করা হলেও বাস্তবে তা হয়নি।রেস্টুরেন্টগুলি চরম ব্যস্ত সময় কাটিয়েছে। গ্রাহকদের অর্ডার সরবরাহ করতে রীতিমত হিম হিম খেতে হয়েছে।খলিল বিরিয়ানী হাউসের স্বত্বাধিকারী শেফ খলিলুর রহমান জানান,প্রতি বছর আমরা যে পরিমান টার্কির অর্ডার পাই এবার তার দ্বিগুন হয়েছে।আমার তিনটি রেস্টুরেন্টের কিচেনেই গত রাত থেকে আমার কর্মীরা নির্ঘুম রাত কাটিয়ে গ্রাহকদের সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করেছে।তার পরেও সবার অনুরোধ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।গত রাত থেকেই আমরা অর্ডার নেয়া বন্ধ করেছি।অনেক পরিচিতজনদের বিমুখ করতে হয়েছে।একদিকে হালাল টার্কির সরবরাহ ছিলো কম ।অপরদিকে নির্দিষ্ট সময়ে রেডি করে এত বিপুল সংখ্যক টার্কি সরবরাহ করতে হয়েছে।

খলিল জানান,আমরা পাইকারী দোকান থেকে ফ্রোজেন টার্কি ক্রয় করিনি।লাইভ পোলিট্রি থেকে হালালভাবে জবাই করে উচ্চ মুল্য দিয়ে টার্কি ক্রয় করে ক্রেতাদের সরবরাহ করেছি।কোয়ালিটির সাথে কোনো অবস্হাতেই আমরা আপোষ করিনি ।


ভোর সকালে গিয়ে দেখা গেলো খলিলের তিনটি রেস্টুরেন্টের কিচেনেই কর্মীরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে।পাশাপাশি চলছে ডেলিভারী।অনেকেই সরবরাহের জন্য কাউন্টারের সামনে লাইন দিয়ে অপেক্ষা করছেন।কয়েকজন এসেছেন পার্শ্ববর্তী স্টেট কানেকচিকাট থেকে।দুজন এসেছেন স্টেটেন আইল্যান্ড থেকে।কেউ এসেছেন নতুন অর্ডার দিতে।বলা যায় একটা হুলস্হুল কান্ড।প্যানডামিক মানুষের জীবনযাত্রাকে থামিয়ে দিতে পারেনি বিপুল সংখ্যক ক্রেতাদের উপস্হিতি এটাই যেন প্রমান করে।

আপনার মতামত লিখুন :